আজ · ৩ রবিউস সানি ১৪৪৮
তারিখগুলো বাংলাদেশের জন্য সমন্বয় করা উম্মুল কুরা ক্যালেন্ডার অনুযায়ী; চাঁদ দেখার উপর নির্ভর করে এক দিন কম-বেশি হতে পারে।
আল্লাহ তাআলা ‘দশ রাতের’ কসম করেছেন (সুরা ফাজর ৮৯:২), অনেক মুফাসসিরের মতে এর দ্বারা এই দিনগুলোকেই বোঝানো হয়েছে। রাসুলুল্লাহ ﷺ বলেছেন, এই দশ দিনের নেক আমলের চেয়ে অন্য কোনো দিনের আমল আল্লাহর কাছে বেশি প্রিয় নয় (সহিহ বুখারি ৯৬৯)।
করণীয় আমল
জিলহজের ৮ তারিখে ইহরাম পরিহিত হাজিরা মিনার উদ্দেশে রওনা হন। এর মাধ্যমে হজের মূল আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়, যা আরাফা, মুজদালিফা, জামারাতে কংকর নিক্ষেপ, কোরবানি ও তাওয়াফের মধ্য দিয়ে ১২ বা ১৩ তারিখ পর্যন্ত চলে। সামর্থ্যবান প্রত্যেক মুসলমানের ওপর জীবনে একবার হজ ফরজ (সুরা আলে ইমরান ৩:৯৭)।
করণীয় আমল
হজের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিন, যেদিন হাজিরা আরাফার ময়দানে অবস্থান করেন। রাসুলুল্লাহ ﷺ বলেছেন, ‘আরাফাই হজ’ (জামে তিরমিজি ৮৮৯)। যারা হজে নেই, তাদের জন্য এই দিনের রোজা আগের এক বছর ও পরের এক বছরের গুনাহের কাফফারা হয় (সহিহ মুসলিম ১১৬২)।
করণীয় আমল
ত্যাগের উৎসব, যা ইবরাহিম (আ.) ও তাঁর পুত্রের আত্মসমর্পণের স্মৃতি বহন করে (সুরা সাফফাত ৩৭:১০২–১০৭)। সামর্থ্যবানরা জিলহজের ১০ থেকে ১২ তারিখের মধ্যে পশু কোরবানি করেন এবং এর গোশত পরিবার, আত্মীয়স্বজন ও অভাবী মানুষের মধ্যে বণ্টন করেন (সুরা হজ ২২:৩৬)।
করণীয় আমল
ঈদুল আজহার পরের তিন দিন (১১–১৩ জিলহজ) আইয়ামে তাশরিক। রাসুলুল্লাহ ﷺ এই দিনগুলোকে পানাহার ও আল্লাহর জিকিরের দিন বলেছেন (সহিহ মুসলিম ১১৪১); এসব দিনে রোজা রাখা নিষিদ্ধ। এ সময় হাজিরা মিনায় জামারাতে কংকর নিক্ষেপ করেন।
করণীয় আমল